আজ-  ,

basic-bank

সাপ্তাহিক ইনতিজার রেজি. ন. ডি-এ ১৭ ৬৮ এর একটি ওয়েব সাইট সংষ্করণ


সংবাদ শিরোনাম :

ঘুরে এলাম নেওয়াবাড়ি টিলা

নাঈম ইসলাম : ব্যস্ততার গন্ডি,নিয়মের বেড়াজাল আর যান্ত্রিক চাপের মধ্যে শিক্ষা সফরের আয়োজন স্বস্থির হীম বাতাস বইয়ে দেয় মনে। র্বষার আগমনে সকল র্জীণতা কাটিয়ে প্রকৃতি ফুলে ফুলে সেজে উঠছে। সে সময়ে শেরপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে শিক্ষা সফর অনুষ্ঠতি হয় নেওয়াবাড়ি টিলায়।

৮আগষ্ট সকাল ৯টায় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা হাজির হতে থাকনে কলজেরে সামন।বাসের অপক্ষো কাটিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাস এসে পৌঁছায়। সবাই বাসে ওঠার প্রতিযোগীতায় অংশ নেন। বাস ছাড়তেই উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে। জানালার বাতাসে শো শো শব্দে এগিযে চলছে গাড়ি। সঙ্গে আড্ডা আর হাস-ঠাট্টার উৎসব শুরু হয়ে যায় বাসের মধ্যে।
শিক্ষার্থীদের মন বেশিক্ষণ আটকে থাকেনি রেস্টহাউজে।তাদের মিতালি এখন মেঘালয় কন্যা গারো পাহাড়ের লাউচাপড়ার সঙ্গে।কখন যে ১টা বেজে গেল বুঝতেই পারেনি কেউ।দুপুরের খাবার গ্রহণরে আগ মুহূতে সবার চোখে যখন ক্লান্তির ঘোর, তখন প্রাণী বিদ্যা বিভাগের প্রভাষক গোলাম রাব্বানী ও প্রর্দশক রাশেদ মাহমুদ স্যার সবাইকে প্রাকৃতকি সৌর্ন্দযের লীলাভূমি নেওয়াবাড়ি টিলা ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান।
ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেষা শ্রীবরদীর বালিজুরি রেন্জ সংলগ্ন নেওয়াবাড়ি টিলায় ২০একর সমতল ভূমি জুড়ে রয়ছেে চোখ জোড়ানো মনোমুগ্ধকর সবুজরে সমারোহ ।৮০০দশকরে ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরির রেন্জ এর আওতায় এখানে গড়ে ওঠে উডলট বাগান ।এ টিলায় বসবাস করে গারো,কোচ,হাজং,বানাই ও মুসলমান সম্প্রদায়।

এরপর দুপুররে খাবার গ্রহন শেষে সহকারী অধ্যাপক সাহানা আক্তার ও প্রভাষক শামিমা রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রাণির আচরন ও বিভিন্ন উদ্ভিদের নমুনা সংগ্রহ করনে ।এতে সহযোগীতা করনে ল্যাব সহকারি আবুল কালাম।
প্রাণি বিদ্যাবিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগি অধ্যাপক রেবেকা ইয়াসমিন বলেন এখানে পাখির কিচিমিচি গান চোখ জুড়ানো সবুজাবরিাম ভূমি সবকছিু মলিয়ে এক মনমুগ্ধকর পরবিশে।
উন্মোচন সাহত্যি পরিষধের জেলা সমন্বয়ক ও একই বিভাগের ছাত্র নাঈম ইসলাম নেওয়াবাড়ি টিলার সম্ভবনা নিয়ে বলেন.বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ একর আয়তনরে সমতল ভূমি আর কোন পাহাড়রে চূরায় নেই ।এ সমতল টিলায় র্পযটন করপোরেশন,জেলা প্রশাসন কিংবা বেসররকারি উদ্যোগে র্আকষনীয় র্পযটন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব ।এতে পিছিয়ে পড়া আদিবাসি জনগোষ্ঠি অধ্যুষতি এলাকার ‌উন্নয়নের পাশাপাশি অনেক লোকের র্কমসংস্থানের সৃষ্টি হবে ।


সবমলিয়ে শিক্ষা জীবনে পাহাড়ে কাটানো একটা দিনের স্মৃতি মনের ক্যানভাসে অম্লান হয়ে থাকব। সফর শেষে বিকালের র্সূযকে সঙ্গী করে পথচলা বারবার আবগোপ্লুত করে।গাড়িতে উঠে কেউ কেউ এক-দুই কলি অবিন্যস্ত গানের সুর তোলে। এরপর শিক্ষক-শিক্ষার্থী কবিতা কৌতুকে ভরা আনন্দ-উল্লাসে গাড়ি এসে থামে কলেজের সামন। ঠিক তখনই মনে পড়, এবার ঘরে ফেরার পালা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered By : Intizar24 Developed By : BDiTZone