আজ-  ,

basic-bank

সাপ্তাহিক ইনতিজার রেজি. ন. ডি-এ ১৭ ৬৮ এর একটি ওয়েব সাইট সংষ্করণ


সংবাদ শিরোনাম :
«» বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম কর্তৃক সফল ”এ” গ্রেড চেয়ারম্যান ও গোল্ড মেডেল” পদক ঘোষণা «» টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ছায়ানীড়ের ভাষা অনুষ্ঠিত «» বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ আহবায়ক কমিটি, টাঙ্গাইল জেলা শাখা। «» এ মানচিত্র আমার «» টাঙ্গাইলরে গোপালপুরে নলনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নকিান্ড; ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা «» শীতের আগমনী গান «» মৃতঃ ব্যক্তির স্থলাভিষিক্ত অন্যজন উপস্থিত হয়ে জমি বিক্রয় বিষয়টি সম্পূর্ন ভুল হয়েছে- ডাঃ স্বপ্না রাণী, সাব রেজিঃ, সখীপুর-টাঙ্গাইল «» ধুনটে চালকের মুখে গাম লাগিয়ে অটোভ্যান ছিনতাই «» বিপিএলের সময়ে কিছুটা পরিবর্তন «» মেসির জাদুরে জয় পেল বার্সেলোনা

যিনি উকিল তিনিই প্রভাষক

টাংগাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির আজীবন সদস্য এড. দেওয়ান মোঃ শামস উদ্দিন বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হইতে ০৮/১২/২০০৯ ইং তারিখে সনদপ্রাপ্ত হয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকিয়া তথ্য গোপন করিয়া সরকারি বিধি মোতাবেক টাংগাইল শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজে ২০১২ সালে প্রভাষক হিসাবে নিয়োগ নেন। কিছুদিন নিয়মিত উক্ত কলেজে ক্লাস নিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বেতন গ্রহণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে আইনপেশা এবং প্রভাষক হিসাবে দ্বৈত পেশা নিয়মিত চালিয়ে যান। বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজে হিসাব বিজ্ঞান প্রভাষক পদে চাকুরি নিয়ে ক্লাস না করিয়া নিয়মিত বেতন উত্তোলন করে যাচ্ছেন। কলেজের শিক্ষার্থীরা তার ক্লাস না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য প্রভাষক ও আইন পেশা দুটোই চালিয়ে যাচ্ছেন। এডভোকেট সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরন বিধির ৪র্থ অধ্যায়ের ৮নং বিধিতে সুস্পষ্ট ভাবে বলা আছে একজন আইনজীবির ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য কোন পেশার সঙ্গে জড়িত হওয়া নিষিদ্ধ। সনদপ্রাপ্ত হয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত থেকে তথ্য গোপন করে সরকারি বিধি মোতাবেক টাংগাইল শহরে দ্বৈত পেশায় নিয়োজিত। অধ্যক্ষের নিকট থেকে জানা যায়, তিন মাস টাংগাইল এডভোকেট বার কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক একটি চিঠি বিবেকানন্দ কলেজের অধ্যক্ষ/সভাপতি বরাবর প্রেরণ করেন। উক্ত চিঠিতে বলা হয় যে, দেওয়ান শামস উদ্দিন পেশায় একজন আইনজীবি হওয়া সত্যেও বিবেকানন্দ কলেজে আবার প্রভাষক পদে চাকুরি নিয়েছেন। যা আইন পরিপন্থি উক্ত প্রভাষক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমনঃ নিয়োগপত্র, যোগদান পত্র ইত্যাদি সহ অন্যান্য কাগজপত্র প্রেরন করতে অনুরোধ করা হয়। বিষয়টি সকলের জানাজানি হয়ে গেলে দেওয়ান শামসছুদ্দিন কলেজে আসা বন্ধ করে দেন। অধ্যক্ষ মহোদয় তাকে যে কোন একটি পেশা বেছে নেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তাতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন মহলে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাতে থাকেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, দেওয়ান শামস উদ্দিন কলেজ চলাকালীন অবস্থায় কোর্টে অবস্থান করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered By : Intizar24 Developed By : BDiTZone