আজ-  ,

basic-bank

সাপ্তাহিক ইনতিজার রেজি. ন. ডি-এ ১৭ ৬৮ এর একটি ওয়েব সাইট সংষ্করণ


সংবাদ শিরোনাম :
«» বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম কর্তৃক সফল ”এ” গ্রেড চেয়ারম্যান ও গোল্ড মেডেল” পদক ঘোষণা «» টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ছায়ানীড়ের ভাষা অনুষ্ঠিত «» বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ আহবায়ক কমিটি, টাঙ্গাইল জেলা শাখা। «» এ মানচিত্র আমার «» টাঙ্গাইলরে গোপালপুরে নলনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নকিান্ড; ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা «» শীতের আগমনী গান «» মৃতঃ ব্যক্তির স্থলাভিষিক্ত অন্যজন উপস্থিত হয়ে জমি বিক্রয় বিষয়টি সম্পূর্ন ভুল হয়েছে- ডাঃ স্বপ্না রাণী, সাব রেজিঃ, সখীপুর-টাঙ্গাইল «» ধুনটে চালকের মুখে গাম লাগিয়ে অটোভ্যান ছিনতাই «» বিপিএলের সময়ে কিছুটা পরিবর্তন «» মেসির জাদুরে জয় পেল বার্সেলোনা

ইচ্ছেরা বহুদূর

মোঃ আরিফ হোসেন

এই উচ্ছৃঙ্খল সভ্যতার পথে পথে,ওদের বাস্তবতার মতোই কি সত্যি,
আপনিও কি পাল্টে গেলেন কথাকলি?
ভুলে গেলেন কি রংধনুর কাঁচা রংয়ে আাঁকা সেকালের ভালোবাসা?
ইচ্ছে আমার আপনার সাথে,আপনাকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াই বহুদূরের পথে।
তবে কি আপনার কিছুই মনে নেই?মনে নেই আমাদের দুঃসাহসিক পথযাত্রা।
দুরন্ত এডভেঞ্চার আমাজনিয়ার গিরি বাধা?
দুর্গম গিরি চক্র,আর আঁকাবাঁকা সুদীর্ঘ পথ,
রেন ফরেস্ট এর ভেতর দিয়ে,মনে হয় যেন লক্ষ কোটি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে,
আমরা আমাজনিয়ার সেই পুরনো জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের সাথে,
জীববিজ্ঞান বইয়ে পড়েছিলাম সেই ভেড্ড্যা জাতি মানুষ।
আজকের আমরা নাকি তাদের উত্তরসূরি আমাদের তারা নাকি আদি পুরুষ।
সেকালে তাদের বুঝাতে চেয়েছিলাম আপনি আর আমি,
“আমরা আপনাদের বিবর্তিত রূপ,সভ্যতা অনেক এগিয়ে,
তবে কেন আপনারা,পরে আছেন এত পিছে”?
দূর্ভাগ্যবশত আপনি আমি কেউ স্টাডি করে যাই নি তাদের ভাষার উপর,
তাই অজানাই থেকে গেল তাদের দেওয়া উত্তর।
তারপর পরো দীর্ঘ যাত্রা আর হিমালয়ের মতো উচ্চ পাহাড় হতে,
নিরবে বয়ে চলা ঝর্না দেখে,দুজনই তো বিমুগ্ধ হয়েছিলাম,
অতপর এক কোটি সত্তর লক্ষ বছরের ইতিহাস খুজতে বের হয়েছিলাম দুজনে,
এই সুদীর্ঘ মহাকাল পূর্বেই নাকি প্রথম মানুষ আগমন করে পৃথিবীর বুকে।
কিন্তু কোথায়,তারা পদার্পণ করেছিলো,বসতি গড়ে ছিল প্রথম ?
তখন আমরা গিয়েছিলাম সুইডেনে,
অ্যাপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু বছর গবেষণা করেছি,খুজতে এর কারণ।
তারপর হয়তো জানতে পেরেছিলাম,টাইগ্রিস আর ইউফ্রেটিস নদীর তীরে,
প্রথম মানুষ বসতি স্থাপন করেছিলো স্থায়ীভাবে।
আমরা গিয়েছি অ্যারিস্টটল এর গুহায়,অলিম্পিক পাহাড়ের পাদদেশে,
খুজতে গিয়েছি হোমো স্যাপিয়েন্সদের বিবর্তনের কথা।
উত্তর আমেরিকা ঘন ভয়ার্ত জঙ্গলে,সুদীর্ঘ রাত্রিযাপন করেছি দুজন,
কখনও অনেক রাত্রিতে আধা বিগলিত চাঁদ দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি,
আবার কখনও উতলা হয়েছি মসার উৎপাতে,
কখনও বা অনেক রাত্রিতে এই প্রকান্ড জঙ্গলের গহ্বরে,আমরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছি।
আবার আমরা মানব রহস্য খুজতে খুঁজতে গিয়েছি সমুদ্র পাড়ে,
সমুদ্র কলোতান শুনে জেগে রয়েছি সমস্ত নিশি জুড়ে।
অতপর আমাদের দীর্ঘ ভ্রমণ যাত্রার পর,
আমরা,আবার ফিরে এসেছি বাংলায়,রূপসা নদীর তীরে,
তীব্র ক্লান্ত শরীর নিয়ে আমরা বসে আছি রূপসী বাংলার জিলে।
তখন আপনার ঐ স্বচ্ছ চোখের দিকে তাকালে,
মনে হয়,হাজার বছর ধরে পথ হাটা আপনিই সেই বনলতা সেন।
আমি কি আপনাকে তখন প্রশ্ন করবো,এতদিন কোথায় ছিলেন!
আপনি হয়তো চুপচাপ নির্বিকার, তবে কি আপনি ক্লান্ত হয়ে গেলেন?
না! চলুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ সামনের গ্রীষ্মের ছুটিতে,
আমরা আবার বেরিয়ে পড়বো,রহস্য উন্মোচনে,নতুন উদ্যমে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered By : Intizar24 Developed By : BDiTZone