আজ-  ,

basic-bank

সাপ্তাহিক ইনতিজার রেজি. ন. ডি-এ ১৭ ৬৮ এর একটি ওয়েব সাইট সংষ্করণ


সংবাদ শিরোনাম :

শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ ৩৮ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা

২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ এক লাখ দুই হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা

৩৮ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা

সৌজন্যে জাগো নিউজ গত ৩৮ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এই সময় ঋণখেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন।

শনিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বেগম লুৎফুন নেসা খানের (ওয়ার্কার্স পার্টি) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানান। এ সময় সংসদে ৩০০ ঋণখেলাপির তালিকাও প্রকাশ করেন তিনি।

লুৎফুন নেসা খান তার প্রশ্নে ২০০৯ সালে ঋণখেলাপি কত ছিল ও তাদের কাছে প্রাপ্ত ঋণের পরিমাণ এবং ২০১৮ সালে ওই সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ জানতে চাইলেও ডাটা ওয্যারহাউজ না থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেজে ২০১৫ সালের অক্টোবরে আগের সময় তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে ২০০৯ সালের ঋণের তথ্য প্রদান করা সম্ভব হয়নি বলে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান। তিনি জানান, এর ফলে লুৎফুন নেসার প্রশ্নের জবাবে ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ঋণখেলাপি ও তাদের ঋণের পরিমাণ সংসদকে জানানো হয়েছে।

এ প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, অক্টোবর ২০১৫ সালে ঋণখেলাপির সংখ্যা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ জন এবং তাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ এক লাখ দুই হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপি : এ ছাড়া দেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই ৩০০ জন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে জমা দেননি। তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন ৭০ হাজার ৫৭১ কোটি। এর মধ্যে খেলাপি রয়েছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণ ৫২ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা।

শনিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, ১৪ হাজার ৭১৫টি প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকে পাঁচ কোটির ঊর্ধ্বে ঋণ নিয়েছে। যাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। তাদের কাছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ১৮৩ কোটি টাকা।

শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে

সামানাজ সুপার ওয়েল লিমিটেড এক হাজার ৪৯ কোটি টাকা, গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িং ৯৮৪ কোটি, রিমেক্স ফুডওয়্যার লিমিটেড ৯৭৬ কোটি, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লিমিটেড ৮২৮ কোটি, মাহিন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৮২৫ কোটি, রূপালি কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেড ৭৯৮ কোটি, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ৭৭৬ কোটি, এসএ ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেড ৭০৭ কোটি, সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড ৬১০ কোটি, গ্রামীণ শক্তি ৬০১ কোটি, সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ৫৮২ কোটি, কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড ৫৭৫ কোটি, সিমরান কম্পোজিট লিমিটেড ৫৬৪ কোটি, ম্যাক্স ইস্পিনিং মিলস ৫২৬ কোটি, বেনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫২৩ কোটি, আলফা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেড ৫২৩ কোটি, সিদ্দিক ট্রেডার্স ৫১১ কোটি, রুবাইয়া ভেজিটেবল ওয়েলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫০১ কোটি এবং রাইজিং স্টিল লি. ৪৯৫ কোটি টাকা।

সুপ্রভ রোটোর স্পিনিং লিমিটেড ৪৬৫ কোটি টাকা, ইয়াছির এন্টারপ্রাইজ ৪৬৪ কোটি, চৌধুরী নিটওয়্যার লিমিটেড ৪৬২ কোটি, রানকা সোয়েল কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড ৪৪৯ কোটি, লেক্সকো লিমিটেড ৪৩৯ কোটি, জাকুয়ার্ড নিটেক্স লিমিটেড ৪৩০ কোটি, ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৩৭৩ কোটি, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল ৩৭২ কোটি, বাংলা লায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড ৩৭১ কোটি, বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ ৩৫২ কোটি, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেড ৩৪১ কোটি, পদ্মা পলি কটন নিট ফেব্রিক্স লিমিটেড ৩৩১ কোটি, গ্রান্ড ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৩২৪, ফেয়ার টেড ফেব্রিক্স লিমিটেড ৩২২ কোটি, গ্রামবাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ৩১৮ কোটি, সাহারীজ কম্পোজিট টাওয়াল লিমিটেড ৩১৪ কোটি, ৭বি অ্যাসোসিয়েটস ৩০৯ কোটি, রুরালস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন ৩০৬ কোটি, সুরুজ মিয়া জুট ইস্পিনিং লিমিটেড ৩০৪ কোটি, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেড ২৯৬ কোটি, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল ২৮৬ কোটি, রূপায়ন হাউসিং স্টেট লিমিটেড ২৮০ কোটি, এসকে স্টিল ২৭১ কোটি টাকা, মাবিয়া শিপ ব্রেকার্স ২৭১ কোটি, মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড ২৬৭ কোটি, হেল্প লাইন রিসোর্স লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, দি ঢাকা ডায়িং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, বিসমিলস্নাহ টাওয়াল লিমিটেড ২৪৪ কোটি, রানকা ডেনিম টেক্সটাইলস মিলস ২২২ কোটি, তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ২১২, এইচ স্টিল রি রোলিং মিলস ২০৯, কেআর স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ২০৪ কোটি, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১, চিটাগাং সিন্ডিকেট ১৯৮ কোটি, টি অ্যান্ড ব্রাদার্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৯৭, গেস্নাব এডিবল ওয়েল লিমিটেড ১৯৭ কোটি, এমএইচ গোল্ডেন জুটস মিলস লিমিটেড ১৯৪ কোটি, নর্থস এগ লিমিটেড ১৯৪ কোটি, সিম্যাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১৯৩ কোটি, ইব্রাহিম কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৯২ কোটি, লামিসা স্পিনিং লিমিটেড ১৯১ কোটি, অ্যাপেল সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেড ১৮৯ কোটি, আরআই এন্টারপ্রাইজ ১৮৯ কোটি, এমকে শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড স্টিলস লিমিটেড ১৮৫ কোটি, মাহমুদ ফেব্রিক্স অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৮৪ কোটি, কটন করপোরেশন ১৮৪ কোটি, এমবিএ গার্মেন্ট অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ১৮৩, সিক্স সিজনস অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেড ১৮৩ কোটি, ন্যাশনালস স্টিল ১৮৩ কোটি, ক্যাপিটাল বোর্ড লিমিটেড ১৮২ কোটি, ইউনাইটেড এয়ারওয়েস বিডি লিমিটেড ১৮০ কোটি, করলা করপোরেশন বিডি লিমিটেড ১৭৮ কোটি, এক্সপার টেক লিমিটেড ১৭৬ কোটি, বস্নু ইন্টারন্যাশনাল ১৭৫ কোটি, সাফারি ট্রেডার্স ১৭৪ কোটি, আমাদের বাড়ি লিমিটেড ১৭৩ কোটি, ওয়ালম্যাট ফ্যাশন লিমিটেড ১৭০ কোটি, এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৮ কোটি, শব মেহের স্পিনিং মিলস লিমিটেড ১৬৮ কোটি, সুপ্রভ মেলেং স্পিনিং মিলস ১৬৭ কোটি, হিমালয়া পেপার্সি অ্যান্ড বোর্ড মিলস ১৬৬ কোটি, লিবার্টি ফ্যাশনস ওয়্যার ১৬৪ কোটি, ক্রিসেন্ট ট্যানারিস লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী টাওয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী লেদার অ্যান্ড কোম্পানি ১৬২ কোটি, ইসলাম ট্রেডিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৫৬ কোটি, অ্যাপেক্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৫৬ কোটি, আবদুলস্নাহ স্পিনিং মিলস ১৫৫ কোটি, আনোয়ারা মান্নান টেক্সটাইল ১৫৩ কোটি, সাগির অ্যান্ড ব্রাদার্স ১৫৩ কোটি, মাস্টার্ড ট্রেডিং ১৫২ কোটি, ইসলাম ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি ১৫২ কোটি, হিন্দুল ওয়ালি টেক্সটাইল লিমিটেড ১৫২ কোটি, এরিয়ান কেমিক্যালস ১৫১ কোটি, ওয়ার্ন ডেনিম মিলস লিমিটেড ১৫১ কোটি, মুহিব স্পিনিং অ্যান্ড শিপ রিসাইকেলিং ১৫০ কোটি, গেস্নাব মেটাল কমপেস্নক্স লিমিটেড ১৫০ কোটি, এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশন ১৪৯ কোটি, জালাল অ্যান্ড সন্স ১৪৯ কোটি, বিশ্বাস গার্মেন্ট লিমিটেড ১৪৯ কোটি, সাইদ ফুড লিমিটেড ১৪৫ কোটি, এইচআরসি শিপিং লিমিটেড ১৪৪ কোটি, আলী পেপার্স মিলস লিমিটেড ১৪৩ কোটি, রহমান শিপ ব্রেকার্স লিমিটেড ১৪২ কোটি, ড্রেজ বাংলা (প্রা.) লিমিটেড ১৪২ কোটি, ফারইস্ট স্টোক অ্যান্ড ব্রন্ডস লিমিটেড ১৩৯ কোটি, ফিবার সাইন লিমিটেড ১৩৮ কোটি, অর্নেট সার্ভিস লিমিটেড ১৩৭ কোটি, মুজিবুর রহমান খান ১৩৬ কোটি, জাহিদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ১৩৪ কোটি, তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ ১৩৩ কোটি, এপেক্স ওয়েবিংস অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৩০ কোটি, মিশন ডেভেলপার লিমেটেড ১৩০ কোটি, তালুকদার ইউপিবিসি ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১৩০ কোটি, এনোন নিট টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, দি ওয়েল টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, ডেলটা সিস্টেমস লিমিটেড ১২৮ কোটি, এফআর জুট ট্রেডিং ১২৮ কোটি, গেট নিট টেক্স লিমিটেড ১২৮ কোটি, জেওয়াইবি টেজ লিমিটেড ১২৮ কোটি, জারা নিট টেক্স লিমিটেড ১২৭ কোটি, সোনালী জুট মিলস ১২৭ কোটি, সামানাজ কনডেন্স মিল্ক ১২৭ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ১২৬ কোটি, রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১২৬ কোটি, স্ট্রিগার কম্পোজিট লিমিটেড ১২৫ কোটি, শফিকুল স্টিল ১২২ কোটি, স্টাইলো ফ্যাশন গামেন্ট লিমিটেড ১২১ কোটি, রাজশাহী সুগার মিলস লিমিটেড ১২১ কোটি, ইমারাল্ড অয়েল লিমিটেড ১২১ কোটি, লাকি শিপ বিলডার্স লিমিটেড ১২০ কোটি, মিম এন্টারপ্রাইজ ১২০ কোটি, আল আমীন বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১২০ কোটি, এফ কে নিট টেক্স লিমিটেড ১১৯ কোটি, ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড ১১৯ কোটি, অটোবি লিমিটেড ১১৮ কোটি, হিলফুল ফুজুল সমাজকল্যাণ সংস্থা ১১৮ কোটি, এ কে জুট ট্রেডিং কোম্পানি ১১৭ কোটি, মনোয়ারা ট্রেডিং ১১৭ কোটি, চিটাগাং ইস্পাত ১১৭ কোটি, টেকনো ডেসিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ১১৬ কোটি, আলভি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৬ কোটি, এফ আর জুট মিলস লিমিটেড ১১৪ কোটি, টেক্সটাইল ভিরটুসো ১১৪ কোটি, ম্যাক্স শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১১৪ কোটি, ওয়েস্টার্ন হাউসিং লিমিটেড ১১৩ কোটি, এমবিইসি-পিবিএল-জেভি ১১৩ কোটি, সিমি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, এলাইন এপারের্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, সাইনিং নিট টেক্স লিমিটেড ১১২ কোটি, প্রফিউশনস টেক্সটাইল লিমিটেড ১১২ কোটি, সাউথ স্ট্যার্ন ১১১ কোটি, মা টেক্স ১১১ কোটি, সিদ্দিক অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড ১১০ কোটি, কনফিডেন্স সুজ লিমিটেড ১০৮ কোটি, আহমেদ মুজতবা লিমিটেড ১০৮ কোটি, শাপলা ফ্লাওয়ার মিলস ১০৮ কোটি, আবদুর রাজ্জাক লিমিটেড ১০৭ কোটি, হাবিব স্টিলস লিমিটেড ১০৬ কোটি, সর্দার অ্যাপারেলস লিমিটেড ১০৬ কোটি, ক্রিয়েটিভ ট্রেডস ১০৬ কোটি, ক্রিস্টাল স্টিল অ্যান্ড শিপ ব্রেকিংস ১০৫ কোটি, সুপার সিক্স স্টার শিপ ব্রেকিং ই্‌য়ার্ড ১০৫ কোটি, জেড অ্যান্ড জে ইন্টারন্যাশনাল ১০৫ কোটি, কক্স ডেভেলপার্স লিমিটেড ১০৫ কোটি, এস শিপিং লাইন্স ১০৪ কোটি, জবা টেক্সটাইলস লিমিটেড ১০৩ কোটি, সেন্টার ফর অ্যাসিটেড রিপ্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড ১০৩ কোটি, বৈতরণী ট্রেডার্স লিমিটেড ১০৩ কোটি, শিতল এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি, প্রাইস ক্লাব জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১০২ কোটি, নিউ অটো ডিফাইন ১০২ অনিকা এন্টারপ্রাইজ ১০১, এআরএসএস এন্টারপ্রাইজ ১০১, গোল্ডেন হরিজন লিমিটেড ১০০ কোটি, জয়পুরহাট সুগার মিলস ১০০, ডুসাই হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লি ১০০, মোবারক আলী স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৯৯ কোটি, কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড ৯৯ কোটি, রেজা জুট ট্রেডিং ৯৯ কোটি, আর কে ফুডস লি ৯৮ কোটি, ম্যামকো জুটমিল ৯৮ কোটি, আরডেন্ট সিস্টেমস ৯৮ কোটি, টেক্স নিট ইন্টারন্যাশনাল ৯৬ কোটি, বেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিজ বিডি লিমিটেড ৯৬ কোটি, ম্যাস শিপ রিসাইকেলিং ৯৬ কোটি, বাংলাদেশ ড্রেস লিমিটেড ৯৬ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড ৯৫ কোটি, জয়নব ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ৯৫ কোটি, ওয়েসিজ হাইটেক স্পোর্টস ওয়্যার ৯৪ কোটি, ক্রিউ অ্যান্ড কো বিডি লিমিটেড ৯৪ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৯৪ কোটি, এখলাস শিপিং মিলস লিমিটেড ৯৩ কোটি, ফাহামী নিটওয়্যার লিমিটেড ৯২ কোটি, জে অ্যান্ড জে ফেব্রিক্স টেক্সটাইল লিমিটেড ৯২ কোটি, আর বি এন্টারপ্রাইজ ৯২ কোটি, অনলাইন প্রপার্টিজ লিমিটেড ৯২ কোটি, ফাহমি ওয়াশিং পস্নান্ট ৯০ কোটি, রামিসা ট্রেডিং ৮৯ কোটি, ল্যান্ডমার্ক ফেব্রিক্স লিমিটেড ৮৮ কোটি এবং এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮ কোটি টাকা।

এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮, সাফিন শিপিং লাইন লিমিটেড ৮৮ কোটি, সুপ্রিম জুট অ্যান্ড নিটেক্স লিমিটেড ৮৮, ফরচুন স্টিল ৮৭, মোস্তফা ওয়েল প্রোডাক্টস লিমিটেড ৮৬, এমএস হাবিবুল ইসলাম ৮৬, মাবিয়া স্টিল কমপেস্নক্স লিমিটেড ৮৬, পদ্মা এগ্রো ট্রেডার্স ৮৬, আমান ট্রেডিং করপোরেশন ৮৫, পলিমার নিটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৮৫, ইমারাল্ড অটো ব্রিক্স লিমিটেড ৮৫, ম্যাজেস্টিক হোল্ডিং লিমিটেড ৮৫, ওয়াফা এন্টারপ্রাইজ ৮৪, দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেড ৮৪, মনিকা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল ৮৩, এসএ ট্রেডার্স ৮৩, দ্য অ্যারিস্টক্স্যাট এগ্রো লিমিটেড ৮৩, ইউরোপা বেভারেজ অ্যান্ড ফুডস লিমিটেড ৮৩, ফ্যাশন ক্রাফট নিটওয়্যার লিমিটেড ৮৩, এটলাস গ্রিনপেক লিমিটেড ৮৩, ইমারাল্ড স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড ৮৩, শাহনেওয়াজ জুটমিলস প্রাইভেট লিমিটেড ৮২, মার লিমিটেড ৮২, ড্রেস মি ফ্যাশন্স লিমিটেড ৮২, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স পো ম্যানুফ্যাকচারিং পস্ন্যান লিমিটেড ৮১, শাহিল ফ্যাশনস লিমিটেড ৮১, ফস্টার রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ৮১, ইমাম ট্রেডার্স ৮১, স্মাহ লিমিটেড ৮০, গেস্নাব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেড ৮০, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৮০, এম নূর সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৯, খান সন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৯, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ৭৯, এন এইচ কে ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেক্সটাইল ৭৮, গ্রান্ডেউর শিপিং লাইন্স লিমিটেড ৭৮, এস রিসোর্সেস শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৮, নর্থপোল বিডি লিমিটেড ৭৮, অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ৭৮, ইউরেকা হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড ৭৮, এসএফজি শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৭, সোলারেন ফাউন্ডেশন ৭৭, এটলাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড ৭৭, এমএএফ নিউজপ্রিন্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭, ইনফরমেশন সলিউশনস লিমিটেড ৭৭, বিশ্বাস টেক্সটাইল লিমিটেড ৭৬, গেস্নাব ইনসেক্টিড ৭৬, এশিয়ান ফুড ট্রেডিং অ্যান্ড কোম্পানি ৭৬, সারিয়াজ ওয়েল রিফাইনার লিমিটেড ৭৬, উয়াশান নিট বাংলাদেশ ৭৬, ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজ ৭৬, নাবিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৬, ঢাকা ডেনিম লিমিটেড ৭৫, এমআর শিপিং লাইন ৭৫, এমএমএসবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৫, বাইল্ডট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ৭৫, কাবির এন্টারপ্রাইজ ৭৫, দেশ জুয়েলার্স ৭৪, লৌহজং ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪, বাঁধন ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭৪, ইনফ্রাক্টাকচার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ৭৪, প্রিটি সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৪, ওয়েলপেক পলিমারিস লিমিটেড ৭৪, ঐশি ইন্টারন্যাশনাল ৭৪, ফস্টার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪, সুরমা স্টিল অ্যান্ড স্টিল ট্রেডিং কোম্পানি ৭৪, ইব্রাহিম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৪, নর্থ-সাউথ শিপিং মিলস লিমিটেড ৭৩, ইউসান নিট কম্পোজিট লিমিটেড ৭৩, এহসান স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড ৭৩, ঢাকা অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কস লিমিটেড ৭৩, শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ ৭৩, এম কে ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৭৩, হলমার্ক শিপিং মিলস লিমিটেড ৭২, এজাক্স জুট মিলস লিমিটেড ৭২, শাহেদ শিপ ব্রেকিং ৭২, রুম্মান অ্যান্ড ব্রাদার্স ৭২, রোসেবুর্গ রাইস মিলস লিমিটেড ৭১, এএসটি বেভারেজ লিমিটেড ৭১, মিনটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড ৭১, রংপুর জুটমিলস ৭১, রোসেবুর্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭১, সিপিএম কম্পোজিট নিট প্রাইভেট লিমিটেড ৭০, হানজাল টেক্সটাইলস পার্ক লিমিটেড ৭০, ইস্ট্রার্ন করপোরেশন ৭০, ফিনকোলি অ্যাপারেলস লিমিটেড ৭০, জয়েন্ট ট্রেডার্স ৭০, ন্যাশনাল আইরন অ্যান্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯, ইকো ব্রিকস লিমিটেড ৬৯, তালুকদার পস্নাস্টিক কোম্পানি লিমিটেড ৬৯, বিএনএস ইন্টারন্যাশনাল কোং ৬৯, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপেস্নক্স লিমিটেড ৬৯, টেকো পস্নাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯, ওশিয়ান শিপিং মিলস লিমিটেড ৬৯, ক্লাসিক সাপস্নাইস লিমিটেড ৬৯, সৈয়দ ট্রেডার্স ৬৯, ওয়েস্টারিয়া টেক্সটাইলস লিমিটেড ৬৯, নোবেল কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৬৮ এবং আলী এন্টারপ্রাইজ ৬৮ কোটি টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered By : Intizar24 Developed By : BDiTZone